মুশফিকের স্বাভাবিক না থাকার কোনো কারণ নেই

0
43

ক্রীড়া প্রতিবেদক:দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শুরু হয়েছিল আশা জাগানিয়া। দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয় উঁকি দিয়েও দেখা দেয়নি। কিউইদের বিপক্ষে বাংলাদেশের বড় যে দুটি ভুল, দুটিতেই জড়িয়ে মুশফিকের নাম। পার্থক্য শুধু একটিতে নিজে রান আউট হয়েছেন ও অন্যটিতে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে আউট করতে ব্যর্থ হয়েছেন মুশফিক নিজেই।

এর পর থেকেই শুরু হয়েছে সমালোচনা। হারের ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও যার রেশ থামার কোনো লক্ষণ নেই। এমন অবস্থায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা থাকে অনেকের। তবে মাশরাফি বিন মুর্তজা বলছেন, মুশফিক এসব নিয়ে ভাবছেন না।

সাকিব আল হাসানের সঙ্গে যখন বড় জুটি গড়ার সম্ভাবনা জেগেছে, তখনই মুশফিকের আত্মহনন! মুশফিকের রানআউটের খেসারত বাংলাদেশকে ভালোই দিতে হয়েছে। বাংলাদেশ পারেনি বড় স্কোর গড়তে। তবে সবচেয়ে বড় ভুলটা হয়েছে ফিল্ডিংয়ে। ২৪৪ রান রক্ষা করতে নেমে নিয়ন্ত্রিত বোলিংই করছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। সাকিব আল হাসানের করা ১২তম ওভারে মিড অন থেকে তামিম থ্রো করলেন কেন উইলিয়ামসনকে রানআউট করার লক্ষ্যে। মুশফিক যদি স্টাম্পের পেছনেই থাকতেন, শরীরের স্পর্শে আগেই বেল পড়ত না। আগেই বেল পড়ে যাওয়ায় উইলিয়ামসন আউট হননি। কিউই অধিনায়ক রানআউট হলে ম্যাচের গল্পটা অন্য রকম হতে পারত। ওই ওভারেই রস টেলরকে স্টাম্পিং করতে পারেননি মুশফিক।

এরপরও দুইটি ভালো ক্যাচ ধরে বাংলাদেশকে ম্যাচ ফিরিয়েছিলেন মুশফিকই। কিন্তু এতে কি আর সমালোচনা থামে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হারের পর নতুন ম্যাচ হাজির হলেও যে সমালোচনা থামার কোনো নামগন্ধ নেই। বিষয়টি মুশফিকের অজানা থাকার কথা নয়। এত কিছুর পরে মুশফিকের মানসিক অবস্থা স্বাভাবিক কি না? ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগের দিন আজ প্রশ্নটি করা হয়েছিল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে।

মাশরাফির সাফ জবাব, ‘আমার কাছে মনে হয় ও (মুশফিক) পুরোপুরি ঠিক আছে। স্বাভাবিক না থাকার কোনো কারণ নেই। যারা কাজ করে তাদের তো সমালোচনা হবে। সমালোচনা করা খুবই সহজ। শুধু মুশফিক না, আমিও আমার সেরাটা করতে পারিনি। আরও অনেকে আছে, যারা নিজেদের সেরাটা করতে পারেনি। খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে এটা হয়ই। এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। মুশফিকও ভালো আছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here